নতুন কোচ জাবি আলনসোর অধীনে প্রিমিয়ার লিগে জয় দিয়ে শুভসূচনা করেছে চেলসি। ক্রাভেন কটেজে সোমবার রাতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের লন্ডন ডার্বিতে ফুলহ্যামকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ব্লুজরা।
দলের এই দুর্দান্ত জয়ে মূল ভূমিকা রাখেন আক্রমণভাগের তিন ফুটবলার—জোয়াও পেদ্রো, মরগান রজার্স এবং কোল পালমার।
ম্যাচ শুরুর মাত্র ৩১ সেকেন্ডের মাথায় কোল পালমারের দুর্দান্ত পাস ধরে চেলসিকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রো। প্রিমিয়ার লিগ নামকরণের পর ৩৪ বছরের ইতিহাসে উদ্বোধনী রাউন্ডে এটিই দ্রুততম গোল।
এদিকে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ২০২৩ সালে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর যেভাবে মাঠে আলো ছড়িয়েছিলেন, ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা পালমারকে আবারও সেই পুরনো রূপেই দেখা গেছে।
প্রথমার্ধেই জোশ কিংয়ের গোলে ফুলহ্যাম সমতায় ফিরলেও ৪১ মিনিটে চেলসিকে আবারও এগিয়ে দেন ক্লাবটির রেকর্ড সাইনিং মরগান রজার্স। দ্বিতীয় অর্ধে পেদ্রোর পাসে বক্সে ঢুকে বার্নড লিনোর পায়ের মাঝখান দিয়ে দারুণ কোনাকুনি শটে দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন পালমার।
এরপর ফুলহ্যামের গনজালো গার্সিয়া একটি গোল শোধ করে ম্যাচ বাঁচিয়ে রাখার লড়াই চালান। কিন্তু চেলসির একের পর এক আক্রমণ এবং ১৮টি শটের (যার মধ্যে ৬টি লক্ষ্যে ছিল) সামনে আর দাঁড়াতে পারেনি তারা।
গত মৌসুমে ১০ম স্থানে শেষ করার পর কোল পালমারের গান গাওয়ার খুব একটা সুযোগ পাননি সমর্থকেরা। কিন্তু এদিন চেলসি সমর্থকরা আবারও সেই গানে পুরো গ্যালারি মুখরিত করে রাখেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘ওদের ঘিরে আমাদের মূল দলটা গড়ে তুলতে হবে। ওরা দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে যাচ্ছে। ওদের দায়িত্ব নিতে হবে, অন্য খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
কারণ ওরা যখন অসাধারণ খেলবে, তখন বাকিরাও ওদের পথ অনুসরণ করবে।’
পালমারের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ আলনসো বলেন, ‘কোলের এমন পারফরম্যান্সে আমি ভীষণ আনন্দিত। ও দায়িত্ব নিয়ে, স্বাধীনতা নিয়ে যেভাবে খেলেছে এবং দলকে সাহায্য করেছে—সেটা দলের জন্য খুব দরকার। কোলের ফর্ম এমনই থাকলে চেলসি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে।’









