বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেন ও ফ্রান্সের মুখোমুখি লড়াইকে অনেকেই দেখছেন ‘ফাইনালের আগের ফাইনাল’ হিসেবে। ডালাসে ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ, যেখানে জয়ী দল এক ধাপ কাছে পৌঁছে যাবে বিশ্বকাপ শিরোপা থেকে।
স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে রাখঢাক না করেই বলেছেন, এই ম্যাচকে ফাইনাল বললেও ভুল হবে না। কারণ বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দলই এবার প্রথমবারের মতো একসঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে। শীর্ষে ফ্রান্স, তিনে স্পেন, আর অন্য সেমিতে খেলবে দুই নম্বর আর্জেন্টিনা ও চার নম্বর ইংল্যান্ড।
সাম্প্রতিক মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য মানসিকভাবে এগিয়ে স্পেন। ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০২৫ উয়েফা নেশন্স লিগ—দুই সেমিফাইনালেই তারা হারিয়েছে ফ্রান্সকে। সেই স্মৃতি মনে করিয়ে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি বলেছেন, বড় ম্যাচে ফ্রান্সকে হারানোর সামর্থ্য তাদের আছে।
অন্যদিকে, ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে সতীর্থদের সতর্ক থাকতে বলেছেন। তার মতে, শিরোপা জয়ের আগে কোনো আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই এবং নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হলে আরও বড় পরীক্ষা পাস করতে হবে।
পরিসংখ্যানও জমিয়ে তুলেছে লড়াইয়ের উত্তেজনা। স্পেন ছয় ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করে টুর্নামেন্টের সেরা রক্ষণ গড়েছে। বিপরীতে ফ্রান্স ১৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা দল। অর্থাৎ, জমাট ডিফেন্সের সামনে থাকছে বিস্ফোরক আক্রমণভাগের পরীক্ষা।
টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য ফ্রান্সের, আর স্পেন চাইছে ৩৬ ম্যাচের অপরাজেয় ধারা ধরে রেখে ইতিহাসের আরও কাছে যেতে। তাই ডালাসের এই মহারণে বাজি শুধু একটি ফাইনালের টিকিট নয়, বিশ্বসেরার মুকুটের দৌড়েও বড় বার্তা দেয়ার সুযোগ।









