কার্ডিফের প্রিন্সিপালিটি স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কমিউনিটি শিল্ড জিতেছে আর্সেনাল। এরই মাধ্যমে ক্লাবটি তাদের ট্রফি শোকেসে আরও একটি শিরোপা যোগ করল।
মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা নতুন মৌসুমের শুরুটা এর চেয়ে ভালো হতে পারত না। ঐতিহাসিক প্রিমিয়ার লিগ জয়ের পর আবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মেতেছে তারা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আর্সেনাল প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তারের সংকল্প নিয়ে মাঠে নামে এবং তাতে সফলও হয়। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও আর্সেনালের অটুট রক্ষণভাগ এবং কৌশলী ফুটবলের কাছে তারা বারবার ব্যর্থ হয়েছে।
বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের জন্য নতুন মৌসুমের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। আর্সেনাল আক্ষরিক অর্থেই ম্যানচেস্টার সিটিকে পিষ্ট করে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া মৌসুমের প্রথম ট্রফি কমিউনিটি শিল্ড নিজেদের করে নিল।
জয়ের নেশায় শুরু থেকেই মরিয়া ছিল আর্সেনাল। কার্ডিফের মাঠ ছিল তাদের উৎসবের উপযুক্ত মঞ্চ। ম্যাচে টিকে থাকতে ম্যানচেস্টার সিটির জন্য একটি অনুকূল ফলাফলের প্রয়োজন থাকলেও লন্ডনের ক্লাবটি তাদের দৃঢ় মানসিকতা এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করে।
ম্যানচেস্টার সিটির জালে বল পাঠাতে গানারদের লেগেছে মাত্র ২৩ সেকেন্ড। রিকার্ডো কালাফিওরির রেকর্ড গড়া দ্রুততম গোলে লিড নেওয়ার পর ৩-০ ব্যবধানের এক দাপুটে জয় পায় তারা। দলের হয়ে বাকি দুটি গোল করেন কাই হাভার্টজ এবং অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড।
গত তিনটি মৌসুমে রানার্স-আপ হিসেবে সন্তুষ্ট থাকতে হলেও এবার আর্সেনাল তাদের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং শিরোপা জয়ের মাধ্যমে পূর্ণতা পেয়েছে।
পেপ গার্দিওলা পরবর্তী যুগের শুরুটা ম্যানচেস্টার সিটির জন্য অত্যন্ত হতাশাজনক হলো। মিকেল আর্তেতার হাতের ছোঁয়ায় আর্সেনাল এখন এক ‘অপ্রতিরোধ্য মেশিনে’ পরিণত হয়েছে, যারা সিটিকে কোনো সুযোগই দেয়নি।
আর্সেনাল আবারও উদযাপনে ভাসছে। ৩-০ গোলের এই বিশাল জয় তাদের মৌসুমের প্রথম ট্রফি এনে দেওয়ার পাশাপাশি ক্লাবটির ইতিহাসে এক নতুন সোনালী অধ্যায়ের সূচনা করেছে। গানারদের জয়যাত্রা যেন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।









