
৩২ রানে ছিল না ৫ উইকেট। এমন লেজেগোবরে পাকিস্তানকে গর্তের কিনারা থেকে টেনে সরিয়েছেন ফাহিম আশরাফ ও নাসিম শাহ। মানও বাঁচিয়েছেন দলের। তবে বড় ব্যবধানে হার থেকে উদ্ধার করতে পারেনি। পারেনি সিরিজ রক্ষা করতেও। শেষ পর্যন্ত তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। এতে এক ম্যাচে হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড।
এর আগে প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৭৩ রানে হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড।
বুধবার হ্যামিল্টনে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৯২ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ফাহিম ও নাসিম শাহের লড়াকু ফিফটির পরও ৪১.২ ওভারে ২০৮ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।
নিউজিল্যান্ডের বড় পুঁজি গড়ার পথে কার্যকর অবদান মিচেল হের। ৭৮ বলে হার না মানা ৯৯ রান (৭টি করে চার ও ছক্কা) করেন তিনি। এছাড়া অভিষেকে (প্রথম ওয়ানডে) চমক দেখানো পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মোহাম্মদ আব্বাস আজ করেছেন ৬৬ বলে ৪১ রান।
তৃতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে অতিরিক্ত থেকে। পাকিস্তানি ফিল্ডাররা নিউজিল্যান্ডকে বাড়তি ৩২ রান উপহার দিয়েছেন। আর ওপেনার নিক হিলি ২৩ বলে ৩১ ও হেনরি নিকোলস ৩২ বলে ২২ রান করেন। বাকিদের কেউ ২০ রানের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।
জবাবে যেভাবে শুরু করেছিল, তাতে ভক্তরা একেবারেই হতাশ। ৯ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ৩২ রানে ব্যাটিং লাইনআপের অর্ধেকের পতন হয়। এক অংকে আটকে থাকেন আব্দুল্লাহ শফিক, ইমাম উল হক, বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা।
তৌয়ুব তাহির পিচে সেট হলেও টিকতে পারেননি। ২৯ বলে ১৩ রান করে ফেরেন। এক প্রান্তে স্থির হয়ে লড়াই করতে থাকেন ফাহিম। তাকে সঙ্গ দেন নাসিম শাহ। নবম উইকেটের জুটিতে ৫৬ বলে ৬০ রান তোলেন তারা।
ফাহিমের ৮০ বলে ৭৩ রানের লড়াকু শেষ হয় বেন সিয়ার্সের বলে হের হাতে ক্যাচ হয়ে। শেষ উইকেটে সুফিয়ান মুকিমের সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি করে ফিফটি পূর্ণ করেন নাসিম। এতে ২০০ রানের গন্ডি পার হয় পাকিস্তান। ৪৪ বলে ৫১ রান করে আউট হন নাসিম।
বল হাতে পাকিস্তানের হয়ে ২টি করে উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ ওয়াসিম ও সুফিয়ান মুকিম। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৫৯ রানে ৫ উইকেট নেন পেসার বেন সিয়ার্স। ৩৫ রানে ৩ উইকেট দখল করেন জ্যাকব ডাফি।