যে কারণে ফাইনালের আগে আবারও নাহিদ রানাকে উড়িয়ে নিয়েছিল পেশোয়ার জালমি, সেই কাজটা ঠিকঠাকই করে দিয়েছেন বাংলাদেশের এই তরুণ পেসার। ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করে পেশোয়ারকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তিনি।
জালমির বোলারদের সামনে মুথ থুবড়ে পড়েন হায়দরাবাদ কিংসম্যানের ব্যাটাররা। মাত্র ১২৯ রানে অলআউট হয় দলটি। ৫ উইকেট হারালেও ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছে পেশোয়ার। এটি তাদের পিএসএল ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা।
গতকাল রোববার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ৭ রানে দুই উইকেট হারায় পেশোয়ার। পিএসএলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৫৮৮ রান করা বাবর আজম আউট হন গোল্ডেন ডাকে। ৬ রান করেন মোহাম্মদ হারিস। দুজনকেই ফেরান মোহাম্মদ আলী।
সেমিফাইনালের নায়ক হুনাইন শাহর বলে আউট হয়ে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি কুশল মেন্ডিস। আকিফ জাভেদের বলে আউট মাইকেল ব্রেসওয়েল আউট হলে ৪০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে জালমি। অবশেষে সেই চাপ সামাল দেন অ্যারন হার্ডি ও আব্দুল সামাদ। দুজনের ৮৫ রানের জুটিতে জয় তখন মাত্র ৫ রান দূরের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সেসময় ৩৪ বলে ৪৮ রান করা সামাদ সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ আলীর তৃতীয় শিকারে পরিণত হয়ে।
সামাদ ফিরলেও চ্যাম্পিয়ন হতে আরকোনো সমস্যাই হয়নি পেশোয়ারের। ৩৯ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকা হার্ডি ও ৪ রানে অপরাজিত থাকা ফারহান ইউসুফ দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে এনে দেন নয় বছর পর শিরোপার স্বাদ। ব্যাটে ৫৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতেও ৪ উইকেট শিকার করে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড় হঙ হার্ডি।
এর আগে, টস হেরে ব্যাটিং করতে নামে হায়দরাবাদ কিংসমেন। মোটামুটি ভালো শুরু করে ৩ উইকেটে ৭১ রান তোলে দলটি। উসমান খান ৫৪ ও ২০ রান করেন মারনাস লাবুশেন। এই দুটো স্কোরই সর্বোচ্চ তাদের ইনিংসে। ৩ উইকেট হারানোর পর তাসের ঘরের মতো ভাঙে কিংসমেনের ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানেই অলআউট হয় লাবুশেনের দল।
নাহিদ রানা গোল্ডেন দাকে ফেরান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। হুনাইন শাহকেও আউট করেন তিনি। হার্ডি শিকার করেন ৪ উইকেট। একটি করে বাসিত ও মুকিম।









