লিগ আঁতে সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না পিএসজির। দুই ড্রয়ে নতুন মৌসুম শুরুর পর সর্বশেষ ম্যাচে আবার হার দেখেছে লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
তারই ঝাল যেন চ্যাম্পিয়নস লিগে মেটাল তারা।
স্লোভান ব্রাতিস্লাভাকে উড়িয়ে সুদে-আসলে যেন সব বুঝে নিলো পিএসজি। তা না হলে এমন গোল বন্যা কেনই বা হবে। ৬-১ গোলে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করেছে পিএসজি।
ঘরের মাঠের জয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা অভিযান শুরু তাদের। সর্বশেষ দুই আসরের ট্রফি তাদের শোকেসে।
পার্ক দ্য প্রিন্সেসে শুরু থেকেই স্লোভানের ওপর চড়াও হন উসমান দেম্বেলে-ফেরান তোরেসরা। তার ফলও পান দুজনে।
দেম্বেলের জোড়ার বিপরীতে হ্যাটট্রিক করেছেন তোরেস। অন্যটি করেছেন তোরেসেরই স্বদেশী ফ্যাবিয়ান রুইজ।
গোলোৎসবের শুরুটা হয় ১৭ মিনিটে। নুনো মেন্ডেসের অ্যাসিস্ট থেকে পিএসজির হয়ে গোলের খাতা খুলেন দেম্বেলে। প্রথম লিডের রেশ শেষ না হতেই দ্বিতীয়টির দেখা পান ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড।
এবার হেডে গোল করেন তিনি।
নিজে জোড়া গোল পাওয়ার পর সতীর্থকে দিয়ে করানোয় মনোযোগ দেন দেম্বেলে। তার ফল আসে ৩১ মিনিটে। এই মৌসুমে বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে যোগ দেওয়া তোরেস গোলটি করেন দেম্বেলের ক্রসে ডান পায়ের আলতো টোকায়। তার গোলেই পরে ৩-০ ব্যবধানের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় পিএসজি।
বিরতি শেষে ১২ মিনিটের ব্যবধানে পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের অভিষেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তোরেস। ৪৭ মিনিটের বিপরীতে ৫৭ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন স্পেনের ফরোয়ার্ড। আর ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে শেষ পেরেক মারেন মিডফিল্ডার রুইজ।
ব্যবধান আরো বাড়তে পারত। অফসাইডের কারণে যদি নুনো মেন্দেসের গোলটি বাতিল না হতো। বিপরীতে ৫৯ মিনিটে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন সুলেইমান কামারা।









