ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগামী সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উশাকভ বলেন, দুই নেতার বৈঠকের বিস্তারিত পরে প্রকাশ করা হবে। তবে এরইমধ্যে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে যে, শিগগিরই বৈঠকটি হচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ, দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানায় উভয় পক্ষ। মূলত এরপরই পুতিন এবং ট্রাম্পের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা বেড়েছে।
এর আগে পুতিনের সঙ্গে উইটকফের বৈঠকের বিষয়ে ট্রাম্প জানান, আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে এবং ‘যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে সবাই একমত’।
তিনি আরও জানান, তিনি পুতিন ও জেলনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন। এই দুই নেতা এই ধরনের বৈঠকে একমত হয়েছেন কিনা জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘খুব ভালো সম্ভাবনা রয়েছে’। তবে তিনি আরও বিস্তারিত কিছু বলেননি।
এদিকে নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করার পরিকল্পনা করছেন। এরপর পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিয়ে যৌথ বৈঠকের পরিকল্পনাও আছে তার।
এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প ও ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি বলেছেন, রাশিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ চায়, আর প্রেসিডেন্ট উভয় নেতার সঙ্গেই বৈঠকের জন্য উন্মুক্ত। তবে এখনও স্পষ্ট নয় কোথায় এবং কখন এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হবে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, উইটকফের সফর নিয়ে তিনি নিজে কথা বলেছেন ট্রাম্পের সঙ্গে। তার মতে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে রাশিয়ার মনোভাব আগের চেয়ে কিছুটা নমনীয় হয়েছে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে মস্কোর দেয়া শর্তের ওপর। তিনি বলেন, ইউক্রেন ও তার অংশীদাররা মিলে একটি স্পষ্ট ও যৌথ অবস্থান নির্ধারণে কাজ করছে।










