
মিয়ানমারে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৮৫ জনে পৌঁছেছে। কারণ ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রবিন্দু থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে সাগাইং শহরে প্রতি তিনটি বাড়ির মধ্যে একটি ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির চলমান গৃহযুদ্ধ উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত করছে।
জাতিসংঘের তথ্যানুসারে, ভূমিকম্পের আগেই দুই কোটি মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছিল। অপরদিকে দুর্যোগে নতুন করে ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যম এএফপিকে সন্ন্যাসিনী আয়ে থিকার বলেন, পথচারীরা আমাদের জন্য পানি ও খাবার সরবারাহ করছেন। আমরা সম্পূর্ণভাবে তাদের দয়ার ওপর নির্ভরশীল।
ভূমিকম্পের পরিপ্রেক্ষিতে সামরিক জান্তা ও প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে,যার মূল উদ্দেশ্য মানবিক সহায়তা স্বতস্ফুর্তভাবে পরিচালনা করা।
দুর্গম এলাকাগুলোতে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।