
দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের প্রস্তাবিত পরোক্ষ আলোচনার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস একদিকে ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়াচ্ছে। সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে।
প্রথম দফায় প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্প একতরফাভাবে ইরান পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) থেকে সরে আসেন। তবে সম্প্রতি নতুন একটি চুক্তির বিষয়ে তিনি ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘চুক্তি না হলে বোমাবর্ষণ করা হবে’।
গত ১২ মার্চ পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেন এবং আলোচনায় না এলে সামরিক হামলার হুমকি দেন।
এর জবাবে, ওমানের মাধ্যমে ইরান জানিয়ে দেয় যে, তারা কেবল পরোক্ষ আলোচনায় রাজি। তবে কোনো চাপ বা হুমকির মুখে সরাসরি কোনো আলোচনায় বসবে না।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘চিঠি বিনিময়ের পর আমরা এখন ইরানের সঙ্গে বিশ্বাস স্থাপন ও আলোচনার পরবর্তী ধাপ নিয়ে ভাবছি’।
এদিকে মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে এবং একটি অতিরিক্ত বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ট্রাম্পের সামরিক হুমকি প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইল কোনো হামলা চালালে তারা ভয়ংকর প্রতিশোধের মুখোমুখি হবে’। সূত্র: ইরনা ও মেহের