আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে ৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর কম্পন পাকিস্তান, জম্মু-কাশ্মীর এবং ভারতের দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই কম্পন অনুভব করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
ভারতের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ২১৫ কিলোমিটার গভীরে। ফলে এর প্রভাব বিস্তৃত এলাকায় অনুভূত হয়।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলায় ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
২৪ ঘণ্টায় পাকিস্তানে চার ভূমিকম্প
এর আগে শুক্রবার থেকে শনিবারের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় পাকিস্তানে চারটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৫।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে বেলুচিস্তান অঞ্চলে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ৪০ কিলোমিটার গভীরে।
এর আগে একই দিন সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ৪.৩ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়। এছাড়া শুক্রবার বেলুচিস্তানে ৪.৫ ও ৪.৭ মাত্রার আরও দুটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।
জাপানেও ভূমিকম্প
আফগানিস্তানের ভূমিকম্পের একদিন আগে জাপানের পূর্বাঞ্চলীয় হনশু দ্বীপের কাছে ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ইএমএসসি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ২০ কিলোমিটার গভীরে।
ভেনেজুয়েলায় নতুন ভূমিকম্প
এদিকে কয়েক দিন আগে ভয়াবহ দুটি ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়া ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শনিবার দেশটির আরাগুয়া উপকূলের কাছে ৪.৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার সাম্প্রতিক দুই শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা প্রায় এক হাজারে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান চললেও পর্যাপ্ত সরঞ্জামের অভাব এবং সরকারি সহায়তার ঘাটতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।









