আসন্ন ৯৮তম অস্কারের আন্তর্জাতিক বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের অস্কার কমিটি নির্বাচিত করেছে লিসা গাজীর পরিচালিত ‘বাড়ির নাম শাহানা’ ছবিকে। ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে গত শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত জানায়। এই নির্বাচন ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা।
নির্বাচনের জন্য জমা পড়েছিল মোট পাঁচটি ছবি ‘সাবা’, ‘বাড়ির নাম শাহানা’, ‘নকশিকাঁথার জমিন’, ‘প্রিয় মালতী’ এবং ‘ময়না’। সেখান থেকে বাছাই করা হয়েছে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ ছবিটি।
- /
- বিনোদন
অস্কারে মেহজাবীনের ‘সাবা’ উপেক্ষিত হওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন রাজীব
বিনোদন প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ০২:৩৮ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
অস্কারে মেহজাবীনের ‘সাবা’ উপেক্ষিত হওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন রাজীব
আসন্ন ৯৮তম অস্কারের আন্তর্জাতিক বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের অস্কার কমিটি নির্বাচিত করেছে লিসা গাজীর পরিচালিত ‘বাড়ির নাম শাহানা’ ছবিকে। ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে গত শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত জানায়। এই নির্বাচন ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা।
নির্বাচনের জন্য জমা পড়েছিল মোট পাঁচটি ছবি ‘সাবা’, ‘বাড়ির নাম শাহানা’, ‘নকশিকাঁথার জমিন’, ‘প্রিয় মালতী’ এবং ‘ময়না’। সেখান থেকে বাছাই করা হয়েছে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ ছবিটি।
এ ঘোষণার পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহেজাবীন চৌধুরীর স্বামী পরিচালক ও প্রযোজক আদনান আল রাজীব। তিনি তার পোস্টে লেখেন, ‘একটা চলচ্চিত্র যখন টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (TIFF) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে স্বীকৃতি পায়, অথচ বাংলাদেশের অস্কার কমিটি সেটিকে গুরুত্ব দেয় না, এটা সত্যিই হতাশাজনক। ‘বাড়ির নাম শাহানা’ চলচ্চিত্রটির বিরুদ্ধে বলছি না, নিশ্চয়ই এটি একটি সুন্দর কাজ। কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় অস্কারে দেশের প্রতিনিধিত্বকে শক্তভাবে দাঁড় করানো, তাহলে ‘সাবা’ নিঃসন্দেহে আরও শক্তিশালী একটি নাম।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘দুঃখজনক হলো, আমাদের এসব কমিটি প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে না। যে দেশ বিশ্বমঞ্চে নিজেকে উপস্থাপন করার কৌশলই জানে না, সে দেশ কিভাবে এগোবে? আমরা এখনো তৃতীয় বিশ্বের দেশ কারণ আমরা সামষ্টিক উন্নতির চেয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থকে বড় করি।
এই প্রসঙ্গে জনপ্রিয় নির্মাতা নুহাশ হুমায়ুনও তার মতামত জানিয়েছেন। রাজীবের পোস্টে মন্তব্যের ঘরে তিনি লেখেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি ‘সাবা’ একটি ভালো ছবি, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। আমার কাছে এটি আরও বেশি পছন্দ হয়েছে। তবে যদি আমরা শুধু এই যুক্তি দিই যে একটি ছবি TIFF বা অন্যান্য বড় উৎসবে গেছে, তাই সেটিই ভালো- এটা একটি পিচ্ছিল চিন্তাভাবনা।’
নুহাশ আরও বলেন, ‘আরও দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশে অস্কার কমিটি এবং তাদের পছন্দ এখনই অপ্রাসঙ্গিক। আমরা সিনেমার ক্ষেত্রে ভালো অগ্রগতি করছি, কিন্তু সত্যি বলতে, এখনো এমন কোনো বাংলাদেশি ছবি নেই যা অস্কারের শর্টলিস্টে জায়গা করে নেওয়ার মতো মৌলিক বা স্বতন্ত্র। মনোনয়ন তো দূরের কথা। তবে আমি আশা করি খুব শিগগিরই আমরা এই বাস্তবতা ভুল প্রমাণ করব।’









