জাদুবিদ্যার নামে প্রতারণার অভিযোগে এক কুয়েতি নাগরিক ও তার বাংলাদেশি সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা রক্ষার চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে আহমদী গভর্নরের সাধারণ অপরাধ তদন্ত বিভাগ কুয়েতি নাগরিক মূলহোতা আবদুল্লাহ আলী হুসেন মুহাম্মদ আল-হাদ্দাদকে গ্রেফতার করে।
তিনি দাবি করতেন, রোগ নিরাময়, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা, দম্পতিদের পুনর্মিলন এবং অর্থের বিনিময়ে মন্ত্র ভাঙতে সক্ষম। এভাবে তিনি বহু ক্লায়েন্টকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলেন।
জানা গেছে, মাহবৌলা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় পারিবারিক আবাসনের ছদ্মবেশে তিনি প্রতারণামূলক কার্যকলাপ চালাতেন। প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন নিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে অভিযান চালিয়ে দেখতে পায়, তিনি জাল ‘চিকিৎসা পরামর্শ’ দিতেন এবং জিন তাড়ানো, রোগ নিরাময় ও মন্ত্র ভাঙার ক্ষমতার দাবি করতেন। একইসাথে ভুয়া চিকিৎসার অংশ হিসেবে বিভিন্ন পণ্যও বিক্রি করতেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মূলহোতা আল-হাদ্দাদ তার লাইসেন্সের অপব্যবহার করছিলেন। এ কাজে তার সহযোগী ছিলেন নিযুক্ত বাংলাদেশি চালক নূর আল-আমিন। তিনি ক্লায়েন্ট আনতে এবং পণ্য সরবরাহ করতে সহায়তা করতেন, বিশেষত এশীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের টার্গেট করতেন।
অভিযানে বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আল-হাদ্দাদ ও রাজ্জাককে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার চেষ্টাকারী বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সমাজের নিরাপত্তার জন্য যে কোনো ধরনের হুমকি প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।









