ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেছেন, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদ থেকে সরানো না হলে বিরোধী দল সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করবে না। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
শুক্রবার তিনি অভিযোগ করেন, সংসদবিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর বক্তব্যের পর তাঁকে লোকসভায় নিজের বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো তুলে ধরে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘তাদের তিনটি দাবি রয়েছে।
প্রথমত, দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষামন্ত্রীকে সরাতে হবে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীদের ওপর যারা হামলা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।তৃতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করার আগে আমরা কোনো ধরনের আলোচনা বা কথোপকথনে যাব না।এটাই আমাদের অবস্থান।’
এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া আন্দোলন বন্ধ হবে না বলে আবারও স্পষ্ট করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অভিজিৎ দীপকে।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, ‘যন্তর মন্তরে আমাদের অবস্থান কর্মসূচি ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। তাঁর পদত্যাগ ছাড়া অন্য কোনো সিদ্ধান্ত আমরা মেনে নেব না।’
তিনি আরও জানান, ককরোচ জনতা পার্টির একটি প্রতিনিধি দল ভারতের কনস্টিটিউশন ক্লাবে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবে।
সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙার বিষয়ে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘তিনি অনশন ভেঙেছেন, এতে আমরা খুবই স্বস্তি পেয়েছি। কারণ তাঁর অনশন ২৬ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলছিল। দেশের জন্য তাঁর জীবন অত্যন্ত মূল্যবান।’
তবে আন্দোলনের বিষয়ে দলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া অন্য কিছুই গ্রহণযোগ্য নয়।’









