মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে লুইস ও মেমে ঘূর্ণিঝড়। এতে দেশটিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (এনডিআরআরএমসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
অতিরিক্ত বৃষ্টিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লুজন দ্বীপ এবং ভিসায়াসের কয়েকটি এলাকা। নদীর পানি উপচে পড়ায় অনেক বাড়িঘর প্লাবিত এবং সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় বহু পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে ঘরবাড়ি ছাড়তে হয়েছে। স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
এছাড়া, দুর্যোগে কয়েকটি প্রদেশে সড়ক ও সেতুসহ ব্যাপক কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় স্থানীয় মানুষের জীবিকা ক্ষতির মুখে পড়েছে। বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধসহ পানির সংকটের খবরও পাওয়া গেছে।
এদিকে, আগামী কয়েকদিন থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে এনডিআরআরএমসি। নিচু এলাকা ও ভূমিধসের ঝুঁকিতে থাকা অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।









