প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, এই বোকারা যারা মনে করে আমি ইরানের বিষয়ে যথেষ্ট কঠোর ছিলাম না, যখন শেয়ারবাজার সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং তেলের দাম কমছে, তারা হয় হিংসুক, খারাপ মানুষ অথবা নির্বোধ।
তার এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু আইনপ্রণেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া চুক্তির সমালোচনা করেছেন এবং সতর্ক করেছেন যে, এই চুক্তি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে পর্যাপ্তভাবে সীমাবদ্ধ করে না এবং একই সঙ্গে ইরানকে হরমুজ প্রণালিকে চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৪ দফা চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে শুক্রবার থেকে সুইজারল্যান্ডে আলোচনা শুরু হবে। আয়োজনকারী দেশ সুইজারল্যান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান ও কাতারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের সঙ্গে আগামীকাল বুর্গেনস্টকে সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই বৈঠকের সময়সূচি ও বিস্তারিত বিষয়ে বর্তমানে আর কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা ‘এখনো বিবেচনায় রয়েছে’।
সরকারের আনুষ্ঠানিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেল ও মধ্যস্থতাকারীদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে আলোচনা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে হওয়ার কথা ছিল। তবে চুক্তির একটি ইলেকট্রনিক সংস্করণ এরই মধ্যে দুই দেশই স্বাক্ষর করেছে এবং গতকাল ট্রাম্প চুক্তিটির একটি মুদ্রিত অনুলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন।









