১৯২ রানের লক্ষ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়া কখনওই বাংলাদেশের জন্য বিপদ হয়ে উঠতে পারেনি। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আউট হওয়ার পর যা একটু বিপদের শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ডিএল মেথডে ৫ উইকেটে জিতেছে। বৃষ্টির কারণে ৯ ওভার কমে যাওয়া ইনিংসে বাংলাদেশ লক্ষ্য তাড়া করেছে ৩৬ বল হাতে রেখে। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়া হৃদয় ৫৫ বলে করেন ৪০ রান, মিরাজ অপরাজিত থাকেন ২২ রানে।
আগের ওয়ানডেতে ৮৬ রানে জেতা বাংলাদেশ এক ম্যাচ হাতে রেখে তিন ম্যাচের সিরিজটি জিতলো ২-০ ব্যবধানে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটা বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়। এই সিরিজের আগে অজিদের বিপক্ষে ওয়ানডেতে জয়ই ছিল কেবল একটি, ২০০৫ সালের কার্ডিফের ওই ম্যাচটিতে টাইগাররা জিতেছিল ৫ উইকেটে। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইগারদের একটি টি-২০ সিরিজ জয় আছে।
আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, পেসারদের আঁতুরঘর সমতুল্য অস্ট্রেলিয়াকে স্পিনারদের স্বর্গরাজ্য মিরপুরে বাংলাদেশ হারিয়েছে পেসারদের দিয়ে। বৃষ্টির আগে অস্ট্রেলিয়াকে ১৮৭ রানে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান ৬টি উইকেট সমানভাবে ভাগাভাগি করেন। তানভীর ইসলাম নেন বাকি ২ উইকেট। সিরিজে এখন পর্যন্ত শীর্ষ ৪ উইকেট শিকারিও পেসার—ফিজ ৫, নাহিদ রানা ৪, তাসকিন আহমেদ ৪ ও নাথান এলিস ৩ উইকেট নিয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার মতো বাংলাদেশও কোনো রান তোলার আগেই উইকেট হারিয়ে ফেলে। জাভিয়ের বার্টলেটের দ্বিতীয় বলেই বার্টলেটকে ক্যাচ দেন তানজিদ হাসান তামিম। তবে শুরুতে রয়েসয়ে খেলা সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত দুজনই ৪২ করে তুলে বাংলাদেশকে জয়ের পথে রাখেন। দলীয় ৮৬ রানের মাথায় ভাঙে তাদের জুটি, শান্ত বিদায় নেন আরও ১২ রান উঠার পর।
মিরপুরে কখনও হাফসেঞ্চুরি করতে না পারা লিটন আজ আউট হয়েছেন ২১ রান করে। গ্রিনের হঠাৎ ভেসে উঠা বলে জশ ইংলিসকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর মোসাদ্দেক ১৫ রান করে তাওহীদ হৃদয়কে সঙ্গ। গত ম্যাচের ম্যাচসেরা আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ ছিল ৪৮ রান দূরে









