চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর গণসংযোগে সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বিবৃতিতে এ নির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা।
এর আগে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম শহরের পূর্ব বায়েজিদের চাইল্লাতলী এলাকায় গণসংযোগের সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম-৮) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ।
এ সময় আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের মধ্যে নির্বাচনী জনসংযোগে অংশ নেওয়া সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলা (৪৩) নিহত হয়েছেন।
বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ফেব্রুয়ারিতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সংযম ও শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর গণসংযোগে হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই। হামলাকারীদের ধরতে সিএমপি ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এরশাদ উল্লাহ এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিলেন না; একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে তিনি আহত হয়েছেন। সরকার তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছে এবং এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার এই অপরাধমূলক ঘটনার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী সব প্রার্থী ও নাগরিকের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় তার অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার তার দায়িত্বের অংশ হিসেবে সারা দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।










