অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় ও যমুনা সেতুর ওপর একাধিক যানবাহন বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের অন্তত ২৫ কিলোমিটার এলাকায় থেমে যানজট সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ভোর থেকে মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে করটিয়া পর্যন্ত এলাকা জুড়ে থেমে থেমে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ। তবে যানজট নিরসনে মহাসড়কে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত যমুনা সেতুর ওপর প্রায় ১৩টি গাড়ি বিকল ও স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায়৷ এছাড়া সেতুর ওপর গাড়ি থামিয়ে অনেকেই দ্বন্দ্বে জড়ান। এর ফলে মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। এছাড়া যানবাহনের অতিরিক্ত চাপতো আছেই।
সরেজমিনে দেখা যায়, যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন নারী ও শিশুরা। গাড়ি না পেয়ে খোলা ট্রাক ও পিক-আপে করে বাড়ি যাচ্ছেন যাত্রীরা৷
এ ব্যাপারে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সেতুর ওপর বারবার গাড়ি বিকল হচ্ছে। বিকল হওয়া গাড়িগুলো সরিয়ে নিতে একটু সময় লাগায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুই পাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বক্ষণিক টোল বুথ চালু করার চেষ্টা করছি৷
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় রাত থেকে ভোর পর্যন্ত এ ধীর গতির সৃষ্টি হয়েছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় সকাল সাতটা নাগাদ অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসে।










