গ্রুপ পর্ব শেষ। এবার শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসল লড়াই, সেরা আট দলের লড়াই- সুপার এইট। এই পর্বের প্রথম ম্যাচে আজ (শনিবার) মুখোমুখি হচ্ছে নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এই দুই ‘মিডল পাওয়ার’ দল নিজেদের আসল শক্তি প্রমাণের অপেক্ষায়।
গত আড়াই বছরে (অক্টোবর ২০২২ থেকে এপ্রিল ২০২৫) দুই দল সব ফরম্যাট মিলিয়ে মুখোমুখি হয়েছে ৪১ বার। এর মধ্যে ২৪টিই টি-টোয়েন্টি। ২০২১ সালে নিরাপত্তা ইস্যুতে নিউজিল্যান্ডের পাকিস্তান সফর বাতিল করার পর দুই বোর্ড দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের সংখ্যা বাড়িয়ে সূচি ভরিয়ে তোলা হয়েছিল।
গ্রুপ পর্বে দুই দলই তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষকে হারালেও শক্তিশালী দলের বিপক্ষে হোঁচট খেয়েছে। নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছে, আর পাকিস্তান ভারত ম্যাচে স্পষ্টভাবে চাপে পড়েছিল। ফলে এই ম্যাচ দু’দলের জন্যই নিজেদের শিরোপা-দাবি জোরালো করার বড় সুযোগ।
নিউজিল্যান্ডের বড় চ্যালেঞ্জ ভেন্যু পরিবর্তন। চেন্নাই ও আহমেদাবাদে তারা পেস-স্পিনের ভারসাম্য নিয়ে খেলেছে, যেখানে মিচেল স্যান্টনার ছিলেন একমাত্র নিয়মিত স্পিনার; কিন্তু প্রেমাদাসার ধীরগতির উইকেটে স্পিনারদের ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই হিসেবে একাদশে ইশ সোধিকে দেখা যেতে পারে।

ব্যাটিং অর্ডারে খুব বেশি পরিবর্তন আনেনি নিউজিল্যান্ড। ফিন অ্যালেন, টিম সাইফার্ট, রাচিন রবিন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের সমন্বয়ে ওপরে ভালো আগ্রাসন দেখা গেছে। চার ম্যাচে মাত্র ১৪ উইকেট হারিয়েছে তারা- টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।
অন্যদিকে পাকিস্তান কলম্বোর কন্ডিশনের সঙ্গে বেশ পরিচিত। তাদের বেশিরভাগ ম্যাচ শ্রীলঙ্কাতেই হয়েছে। অধিনায়ক সালমান আলি আগা ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সুপার এইটে স্পিন নির্ভর কৌশল আরও জোরদার হবে।
পাকিস্তানের টপ অর্ডারে সাইম আইয়ুব ও সাহিবজাদা ফারহানের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের সম্ভাবনা থাকলেও ধারাবাহিকতা নেই। বাবর আজম এখনো সেরা ছন্দে ফিরতে পারেননি। মিডল অর্ডারে অলরাউন্ডার নির্ভরতা ও অনভিজ্ঞ খাজা নাফের উপস্থিতি দলকে নড়বড়ে করে তুলেছে।










