চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো এক নারীসহ দুইজনের শরীরে জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সোমবার রাতে নগরীর বেসরকারি এপিক ল্যাবের পরীক্ষায় দুইজনের শরীরে এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
জানা গেছে, জ্বর, শরীর ব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে দুই রোগী চট্টগ্রামের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ওয়ালিউল্লাহ ও মো. নুরুন্নবীর ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় জিকা ভাইরাস পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। সোমবার রাতে নগরীর এপিক ল্যাব থেকে পাওয়া রিপোর্টে জিকা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের বয়স ৪০ বছরের বেশি।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, চট্টগ্রামে প্রাথমিকভাবে দুইজনের শরীরে জিকা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে সেখান থেকে প্রতিনিধি দল আসার পর স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কথা রয়েছে। তাদের পরীক্ষার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, জিকা ভাইরাস ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রজাতির। তিনটি ভাইরাসই এডিস মশার কামড়ে হয়ে থাকে। বরং জিকা বা চিকুনগুনিয়ার চেয়ে ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা খারাপ হয় বেশি। জিকা ভাইরাসে শনাক্ত হওয়া রোগীরা যে এলাকার সেই এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে জানানো হয়েছে।










