ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা শহরের আরও গভীরে ট্যাংক প্রবেশ করিয়েছে। একটি শহরতলিতে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি ব্যবহার করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এবং বিমান হামলায় অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।
এদিকে বিশ্বের প্রধান গণহত্যা বিষয়ক গবেষকদের সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস একটি প্রস্তাব পাশ করে বলেছে যে, ইসরায়েল গাজায় যে গণহত্যা চালাচ্ছে তা প্রমাণের জন্য আইনি মানদণ্ড পূরণ হয়েছে।
গাজা শহরে হামলা বা জেনোসাইড স্কলারস-এর বিবৃতি সম্পর্কে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এর আগে ইসরায়েল বারবার বলে এসেছে, গাজায় তাদের কর্মকাণ্ড গণহত্যা নয়।
হামাসকে ধ্বংস এবং প্রায় দুই বছরের যুদ্ধের পর বাকি ৪৮ জন জিম্মিকে উদ্ধারের লক্ষ্যে গাজা উপত্যকার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে ইসরায়েল জোরেশোরে অভিযান চালাচ্ছে।
শেখ রাধওয়ান এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী পুরোনো সাঁজোয়া যান নিয়ে ওই জনবহুল এলাকার পূর্ব অংশে প্রবেশ করে এবং দূর থেকে সেগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে বেশ কয়েকটি বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায় এবং আরও পরিবারকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়।
গাজা শহরের ওপর ফেলা লিফলেটে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বাসিন্দাদের অবিলম্বে দক্ষিণে চলে যেতে বলেছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা পশ্চিম দিকে আক্রমণ বাড়াতে চায়।










